বাংলাদেশের রাজনৈতিক গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস
সারসংক্ষেপ
বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম ও দাবির মাধ্যমে শাসন পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে। ১৯৬৯ ও ১৯৯০ সালের অভ্যুত্থান দেখিয়েছে যে জনসংহতি ও ছাত্রসমাজের নেতৃত্ব গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের স্থায়ী ভিত্তি গড়ে তোলে।
ভূমিকা
গণঅভ্যুত্থান বলতে বোঝায় বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সংগঠিত ও ধারাবাহিক রাজনৈতিক চাপে বিদ্যমান ক্ষমতা কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তনের দাবি তোলা। সমাজবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদের দৃষ্টিতে এটি সাধারণত একটি শিথিল সংগঠনভিত্তিক দীর্ঘস্থায়ী প্রচারণা, যার লক্ষ্য সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ঘটানো। এর ভেতরে থাকে জনসমাবেশ, মিছিল, ধর্মঘট, পিকেটিং, প্রস্তাবিত দাবির রাজনৈতিক ফ্রেমিং এবং রাষ্ট্রের প্রতি প্রকাশ্য দাবি উপস্থাপন। অভিধানগত অর্থে আপ্রাইজিং হলো শাসকের বিরুদ্ধে বহু মানুষের সংঘবদ্ধ উঠানামা বা বিদ্রোহ, যা কখনও অহিংস এবং কখনও সহিংস প্রতিরোধে রূপ নেয়। এই সমগ্র ধারাটিকে সামাজিক আন্দোলনের বৃহৎ পরিসরের এক রূপ হিসেবে দেখা যায়। (Encyclopedia Britannica, Cambridge Dictionary, Wikipedia)
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১
বিভক্তির পর পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নেই প্রথম বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক সংঘাতের জন্ম হয়। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে কেবল উর্দু চাপিয়ে দেওয়ার উদ্যোগের বিরুদ্ধে ১৯৪৮ থেকে শুরু হওয়া ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত রূপ পায়। শহীদের রক্তে ভাষা অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের ভিত শক্ত করে, যার প্রতিফলনে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় এবং পরে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পরিণত হয়। (en.banglapedia.org)
ষাটের দশকে শিক্ষানীতির বৈষম্য ও বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে ১৯৬২ সালের ছাত্রআন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজকে রাজনীতির সামনের সারিতে নিয়ে আসে। শারিফ কমিশনের সুপারিশের বিরুদ্ধে ঢাকা কলেজ থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশি গুলিতে প্রাণহানি ঘটে। এতে শিক্ষা ও ভাষার প্রশ্নে বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগঠিত ছাত্রশক্তি নতুন রাজনৈতিক চেতনা অর্জন করে। (Wikipedia, The Daily Star)
এই পটভূমিতে ১৯৬৬ সালের ছয় দফা কার্যত পূর্ব-পশ্চিম বৈষম্য, কেন্দ্রীভূত শাসন ও অর্থনৈতিক শোষণের অবসান চায় এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের স্পষ্ট রূপরেখা দেয়। ১৯৬৯ সালের শুরুতে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গড়ে ওঠে এবং ১১ দফা প্রস্তাবের মাধ্যমে ছয় দফার সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিস্তার ঘটায়। এ সময় বিরোধী নেতৃত্বের ওপর ধরপাকড় ও আগরতলা মামলার মতো রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন উল্টো গণবিক্ষোভকে তীব্র করে তোলে। (en.banglapedia.org)
গণঅভ্যুত্থানের ঢেউ সামরিক শাসক আইয়ুব খানের পতন ডেকে আনে এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি নেতৃত্ব ফলাফল মানতে গড়িমসি করলে ১৯৭১ সালের মার্চজুড়ে অসহযোগ চলে এবং ২৫ মার্চের দমনাভিযান মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয়। স্বাধীনতার পূর্বক্ষণ পর্যন্ত এই ধারাবাহিক জনআন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক বীজ রোপণ করে। (Wikipedia, en.banglapedia.org)
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
কারণ
আইয়ুব শাসনের স্বৈরতান্ত্রিকতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সংকোচন, অর্থনৈতিক বৈষম্য, আগরতলা মামলাসহ বিরোধীপক্ষের ওপর দমনপীড়ন এবং ছাত্রসমাজের ১১ দফা দাবির সঙ্গে শ্রমজীবী মানুষের জীবিকার প্রশ্ন জুড়ে যাওয়া—এসব মিলিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৬৮–৬৯-এ রাজপথ জ্বলে ওঠে। গণঅভ্যুত্থানের আগুনে ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, নিম্ন আয়ের মানুষ একযোগে যুক্ত হয়। (en.banglapedia.org)
প্রধান চরিত্র
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আন্দোলনের ভরকেন্দ্র। শহীদ আসাদুজ্জামান ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ পুলিশের গুলিতে নিহত হন, যার পর আন্দোলন যূথবদ্ধ ক্ষোভে রূপ নেয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলার আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হক কারাগারে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেলে ঢাকায় সরকারি স্থাপনা আক্রান্ত হয় এবং সরকার আইনি মামলাটি প্রত্যাহারে বাধ্য হতে থাকে। ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার ও আসামিদের নিঃশর্ত মুক্তি পায় এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি পল্টনে বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদানের মহাসভা বসে। রাজশাহীতে ১৮ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক শামসুজ্জোহা নিহত হওয়ার ঘটনা উত্তাপ আরও বাড়ায়। (en.banglapedia.org)
ঘটনাপ্রবাহ ও পরিণতি
জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি জুড়ে হরতাল, মিছিল, অবরোধে পূর্ব পাকিস্তান স্থবির থাকে। আইয়ুব খান রাউন্ড টেবিল আহ্বান করলেও ছাত্র–জনতার দাবির মুখে সমাধান মেলেনি। শেষ পর্যন্ত ২৫–২৬ মার্চ ১৯৬৯ আইয়ুব পদত্যাগ করেন এবং ইয়াহিয়া খান সামরিক আইন জারি করেন। এই উৎসমুহূর্তে গণঅভ্যুত্থান কেবল শাসক পরিবর্তনের দাবিতে থেমে থাকেনি, বরং আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রশ্নকে জনমতের মূলধারায় প্রতিষ্ঠা করে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করেছে। (Wikipedia)
১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসন অর্ধদশক জুড়ে দলীয় নির্বাচন ও জরুরি আইনের অপপ্রয়োগে বৈধতা খুঁজে ফেরে। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেনের বুকে–পিঠে লিখিত গণতন্ত্রপন্থী শ্লোগান বাংলাদেশের রাস্তায় এক প্রতীকী মুহূর্ত সৃষ্টি করে। ১৯৯০ সালে বিরোধী তিন জোটের পাশাপাশি ছাত্রসমাজ সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করে সার্বজনীন কর্মসূচি শুরু করে। এই পূর্ণাঙ্গ আন্দোলনের প্রথম শহীদ নাজিরউদ্দিন জেহাদ ১০ অক্টোবর ১৯৯০ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। (en.banglapedia.org, Wikipedia)
ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রধান শিক্ষাঙ্গনগুলো আন্দোলনের থিয়েটার হয়ে ওঠে। শ্রেণিকক্ষ থেকে রাজপথে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন কর্মবিরতি, অবরোধ, সারাদেশব্যাপী ধর্মঘট ও রাজধানী অবরোধের সৃজনশীল কৌশল গ্রহণ করে এবং রাজনৈতিক জোটগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে। ছাত্রসমাজের নেতৃত্ব ও সংগঠিত শক্তি ১৯৬৯–এর উত্তরাধিকারকে নতুন প্রজন্মের ভাষায় পুনরুত্পাদন করে, যাতে বিরোধী জোটগুলোর কৌশলগত ঐক্য দৃঢ় হয়। ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের সারাংশও তাই দেখায় যে ১৯৯০–এর শেষ প্রান্তে ছাত্র–রাজনীতি সিদ্ধান্তমূলক চাপ সৃষ্টি করে। (sai.columbia.edu)
চূড়ান্ত রূপান্তর
২৭ নভেম্বর ১৯৯০ চিকিৎসক নেতা ডা. শামসুল আলম মিলন হত্যার পর ঢাকাসহ সারাদেশ প্রায় অচল হয়ে পড়ে। ৬ ডিসেম্বর এরশাদ পদত্যাগে বাধ্য হন এবং তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদকে ভাইস প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দিয়ে পরবর্তীতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত করা হয়। তার নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদ শপথ নেয় এবং ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। (New Age, en.banglapedia.org, Wikipedia)
গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা
১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৬ আগস্ট ১৯৯১ বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তিত হয়। এর ফলে রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যনির্বাহী প্রধান হিসেবে পুনঃস্থাপিত হন, মন্ত্রিসভা সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয় এবং সহকারী রাষ্ট্রপতির পদ রহিত হয়। এই সাংবিধানিক রূপান্তর ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্যকে সংরক্ষণ করে। (en.banglapedia.org)
গণঅভ্যুত্থানের প্রভাব
রাজনৈতিক উন্নয়নে প্রভাব
১৯৬৯ এবং ১৯৯০—দুই পর্যায়ের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে তিনটি দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব রেখে যায়। প্রথমত, রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস জনগণ—এই নর্মকে বারবার প্রমাণ করে দেয় এবং সামরিক–স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের গণবিরোধিতা প্রকাশে সামাজিক বৈধতা দেয়। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের সময়সাপেক্ষে ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন হলে অন্তর্বর্তী বন্দোবস্তের ধারণা জন্ম দেয়, যার প্রথম বাস্তব রূপরেখা ১৯৯০–৯১–এ দেখা যায়। তৃতীয়ত, ছাত্রসমাজকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রহরী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা ১৯৫২ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত ধারাবাহিকতায় স্পষ্ট। এই ধারার ফলে দলীয় রাজনীতি ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সমস্যাসাপেক্ষ হলেও এক ধরনের কৌশলগত সহাবস্থান তৈরি হয়। (en.banglapedia.org)
নাগরিক অধিকারে প্রভাব
বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকারের যে বলিষ্ঠ কাঠামো রয়েছে, তার বাস্তবায়নে গণঅভ্যুত্থানগুলো রূপান্তর–উদ্বুদ্ধকারী ভূমিকা পালন করেছে। সমাবেশ, মতপ্রকাশ, সমানাধিকারের মতো অধিকারের সাংবিধানিক স্বীকৃতি এবং উচ্চ আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার অধিকার নাগরিক শক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেয়। যদিও জরুরি অবস্থার সময় সীমাবদ্ধতার দরজা খোলা থাকে, তারপরও মৌলিক অধিকার ধারণাটি জনজীবনে দৃঢ়ভাবে স্থায়ী—এটি গণআন্দোলনের অর্জনের ধারাবাহিক ফল। (en.banglapedia.org)
সামাজিক আন্দোলনের তত্ত্বগত পাঠ
তত্ত্বের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানগুলো দেখায় যে কাঠামোগত ক্ষোভ ও বৈষম্য, সংগঠক সম্পদ, রাজনৈতিক সুযোগের জানালা এবং ট্রিগারিং ইভেন্ট মিলেই জনমোবিলাইজেশনকে সাফল্যের দিকে ঠেলে দেয়। ১৯৬৯–এ আসাদ ও জহুরুল হকের হত্যাকাণ্ড অথবা ১৯৯০–এ জেহাদ ও ডা. মিলনের মৃত্যু সেই টিপিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে। এই ব্যাখ্যা আধুনিক রাজনৈতিক বিজ্ঞান গবেষণার মূল স্রোতের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। (Cambridge University Press & Assessment)
উপসংহার
বাংলাদেশের ইতিহাস দেখায়, গণঅভ্যুত্থান কখনো শূন্য থেকে জন্ম নেয় না। ভাষা ও শিক্ষা থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক ন্যায়, অংশগ্রহণমুখী শাসনব্যবস্থা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা—এসব দীর্ঘমেয়াদি প্রশ্নে রাষ্ট্র যখন গণদাবির উপযুক্ত পথ খোলা রাখে না, তখন জনশক্তি নতুন পথ খুঁজে নেয়। ১৯৬৯–এর অভ্যুত্থান আমাদের শেখায় যে জনসংহতি কেবল শাসক পরিবর্তন নয়, ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামোর ভিত্তিও স্থির করতে পারে। ১৯৯০–এর অভ্যুত্থান মনে করিয়ে দেয় যে গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন নয়, বরং সমষ্টিগত জবাবদিহি, আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকারের বাস্তব কার্যকারিতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। ভবিষ্যতের জন্য প্রাসঙ্গিক বার্তাটি হলো, রাষ্ট্র ও রাজনীতি যদি মুক্ত মত, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, তথ্যপ্রাপ্তি এবং ন্যায়সংগত নির্বাচনের প্রতিষ্ঠানসমূহকে সমুন্নত রাখে, তবে গণঅভ্যুত্থানের প্রয়োজনীয়তা কমে আসে। আর বিপরীতে, যখন ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে ওঠে এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিকার অকার্যকর হয়ে যায়, তখন ইতিহাস আমাদের বলে জনতার শক্তিই পরিবর্তনের শেষ আশ্রয়। (en.banglapedia.org)
তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত প্রধান উৎস
১৯৬৯: সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ, শহীদ আসাদ, সার্জেন্ট জহুরুল হক, আগরতলা মামলা প্রত্যাহার, আইয়ুবের পদত্যাগ ও ইয়াহিয়ার সামরিক আইন। (en.banglapedia.org, Wikipedia)
১৯৯০: নূর হোসেন দিবস, ১৯৯০–এর গণঅভ্যুত্থান, জেহাদ ও ডা. মিলন, তত্ত্বাবধায়ক অন্তর্বর্তী সরকার, ১৯৯১ নির্বাচন ও দ্বাদশ সংশোধনী। (Dhaka Tribune, Wikipedia, New Age, en.banglapedia.org)