আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সংস্কার নীতিতে সায় বাংলাদেশের

সারসংক্ষেপ
অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও সংস্কারে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সাথে নীতিগত ঐকমত্যে পৌঁছেছে বাংলাদেশ, গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে।
অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে নীতিগত ঐকমত্যে পৌঁছেছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থ এবং পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর থাইল্যান্ডে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার আগে সাংবাদিকদের জানান, সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদী অর্থনৈতিক কৌশলের সাথে এই সংস্থাগুলোর সংস্কার প্রস্তাবের মিল রয়েছে。
আর্থিক খাত ও রাজস্ব সংস্কার
আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ব্যাংক খাতের অস্থিতিশীলতা দূর করা সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ। পূর্ববর্তী প্রশাসনের অনিয়মের খেসারত সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে। কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি, কর অব্যাহতি কমানো ও রাজস্ব প্রশাসন শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। রাজস্ব ঘাটতি কমিয়ে সামাজিক সুরক্ষা ও উন্নয়নমূলক ব্যয় বাড়াতে চায় সরকার。
বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব
অর্থনীতি শক্তিশালী করতে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। থাইল্যান্ডের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণে এগ্রো-প্রসেসিং, ফলমূল প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং হালাল ফুড খাতে থাই বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের সাথেও যোগাযোগ চলছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে。
পাঠকের জন্য কী জানা দরকার
- বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সাথে অর্থনৈতিক সংস্কারে নীতিগত ঐকমত্য হয়েছে।
- ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ও রাজস্ব আয় বাড়ানো সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
- পারিবারিক কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
- থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আলোচনা চলছে。
সূত্র: The Business Standard, The Financial Express