সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত চাইল জামায়াত

সারসংক্ষেপ
সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী।
সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১৫ অক্টোবর ঢাকার মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই প্রেস ব্রিফিং হয়। এই ঘটনায় কৃষকদের দুর্ভোগ বেড়েছে এবং সার সংকট তৈরি হয়েছে।
ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাব
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বাছাই কমিটিকে পাশ কাটিয়ে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। অযোগ্য প্রার্থী, এলাকার বাইরের ব্যক্তি ও একই পরিবারের একাধিক সদস্য ডিলারশিপ পেয়েছেন। কিছু আবেদনকারী ভুয়া গুদাম ও চুক্তিনামাও জমা দিয়েছেন।
বিভিন্ন এলাকায় দলীয়করণ ও অর্থ লেনদেন
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপির কিছু নেতা অর্থের বিনিময়ে ডিলারশিপ নিয়েছেন। ১৪ জন বিএনপি আইনপ্রণেতার এলাকায় সার সংকট দেখা গেছে। দিনাজপুর ও রংপুরের বদরগঞ্জে অর্থের বিনিময়ে ডিলার নিয়োগ হয়েছে। রংপুরের পীরগাছায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাদের নাম ডিলার তালিকায় রয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিষয় হলেও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের মন্তব্য নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
জামায়াতের অন্যান্য দাবি
ডিলার নিয়োগে অনিয়মের তদন্ত ছাড়াও বাছাইয়ের মানদণ্ড ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া প্রকাশের দাবি জানায় জামায়াত। সরকারের দুর্নীতি ও রাজনৈতিকীকরণের কারণে সার, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতিতে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। সংবিধান সংস্কারে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
পাঠকের জন্য কী জানা দরকার
- সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছে জামায়াত।
- বাছাই কমিটিতে রাজনৈতিক প্রভাবে অযোগ্য ব্যক্তিদের ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে।
- ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
- সার সংকট ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারকে সতর্ক করেছে দলটি।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড