সংবিধানে সব ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করার দাবি ঐক্য পরিষদের

সারসংক্ষেপ
সংবিধানে ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
সংবিধান সংস্কার নিয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। সংগঠনটি ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করার সুপারিশ করেছে। বৈষম্য দূর করতে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়।
সংবিধান সংস্কার ও চার মূলনীতি বহাল রাখার প্রস্তাব
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জানায়, সংবিধানের চার মূলনীতি—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বহাল রাখতে হবে। এই নীতি থাকলেই দেশে আইনের শাসন, মানবাধিকার ও সমতা নিশ্চিত হবে। গত ৮ অক্টোবর ঐক্য পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। পরে ইমেইলের মাধ্যমে এই প্রস্তাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে পাঠানো হয়।
ধর্ম ও জাতিগত বৈষম্য দূর করার দাবি
সংবিধান থেকে সব ধর্মীয় ও জাতিগত বৈষম্য দূর করার সুপারিশ করেছে ঐক্য পরিষদ। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে সংবিধানের সংস্কার দরকার। প্রয়োজনে ২ক অনুচ্ছেদ সংশোধন করে ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করার দাবি জানিয়েছে তারা।
সংসদ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব
জাতীয় সংসদ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও পিএসসি। সংস্কার প্রক্রিয়ায় আমন্ত্রণ না পাওয়ায় তারা সরাসরি কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে এই সুপারিশ জমা দেন।
পাঠকের জন্য কী জানা দরকার
- ঐক্য পরিষদ ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করার প্রস্তাব দিয়েছে।
- সংবিধানের চার মূলনীতি বহাল রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
- সংসদ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে আনুপাতিক হারে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্বের দাবি জানানো হয়েছে।
- প্রস্তাবগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংবিধান সংস্কার কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার